পবিত্র রমজান উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারদর বেশিরভাগ জিনিসের ছিলো বেশি। বুধবার (৫ মার্চ) সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের তিনটি কাঁচাবাজার (নিচের (বড়) বাজার, রেলবাজার ও নতুন বাজার) ঘুরে দেখা গেছে, প্রকারভেদে কিছু জিনিসের দাম কম থাকলেও বেশিরভাগ জিনিসের দাম ছিল বেশি।
তবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কম বা বেশি থাকলেও কাঁচা বাজারগুলোতে আনুপাতিক হারে ক্রেতা সাধারণের উপস্থিতি ছিল কম। এ ব্যাপারে ক্রেতা সাধারণের অনেকের বক্তব্য ছিল, ক্যামেরার সামনে আড়ৎদার, পাইকার, খুচরা বিক্রেতারা দাম কম বললেও কজ্ঝামেরা ম্যানরা চলে গেলে সেই গলাকাটা দামেই তারা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রয় করছেন।
পবিত্র রমজান মাসে যে কয়টি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা বেশী থাকে তার মধ্যে ভোজ্য তেল, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, বেগুন, বেশম, কাঁচা মরিচ, ধনিয়ার পাতা, টমেটো, শসা, কাগজি লেবু,গুড়, কলা ও মুড়ি।
পবিত্র রমজানের ১৫দিন আগে নিত্য প্রয়োজনীয় এ সব জিনিস যে দামে বিক্রি হয়েছে রোজার শুরু থেকেই প্রত্যেকটি জিনিসের দাম কেজিতে ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোজ্য তৈল সোয়াবিনের দাম লিটার প্রতি ১০ টাকার বেশি না বাড়লেও বাজারে সরবরাহ নিয়ে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা সাধারণ ক্রেতাদের সরলতা নিয়ে ছেলে খেলা করছেন। অনেক ব্যবসাদার ১ কেজি সয়াবিন তেল দিতে গেলে বলছেন ২ কেজি পোলাও চাল বা আটা বা অন্য যেকোন দ্রব্যাদি নিতে হবে।
এরকম শর্তে ক্রেতা সাধারণ তৈল নিতে না চাইলে সয়াবিন তেলের বডি রেট থেকেও ১০-১২ টাকা বেশিতে সয়াবিন তেল বিক্রি করছে বেশ কিছু দোকানদার। এই বিষয়টি নিয়ে ভোক্তা অধিকার ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক বাজার মনিটরিং টিম অভিযান পরিচালনার ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম কিছুটা কমলেও সুযোগ বুঝে এ কাজ অব্যাহত রেখেছেন বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা।
টিএইচ