ভোলার মনপুরার ইউনিয়নের দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ নিহতের ঘটনার মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. রহিম মিঝি, জসিম উদ্দিন, আল মামুন ও আল আমিন। তারা সবাই মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মনপুরা থানার ওসি মো. আহসান কবীর জানান, নিহত রাশেদের বড় ভাই মো. আজাদ দাবি হয়ে মনপুরা থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭ থেকে ৮ জনকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে গতাকল আমরা অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের নুরউদ্দিন মার্কেট সংলগ্ন বেড়িবাঁধের কাজ চলছিল। ওই কাজের জিও ব্যাগের কাজ করা নিয়ে নিয়ে প্রভাবশালী গিয়াস উদ্দিন মিঝির ও সোহান গোহাগ বদ্দার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
এঘটনাকে কেন্দ্রে করে গত বুধবার সোহান সোহাগ বদ্দার ও রাশেদসহ কয়েকজন ওই কাজের সেখানে গেলে তাদের মধ্যে প্রথমে বাক বিতর্ক বাঁধে। পরে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় গিয়াস উদ্দিন মিঝিসহ তার লোকজনের হামলায় রাশেদ গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের অন্তত ৮ জন আহত হন। এর মধ্যে রাশেদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রথমে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে রাত ৮ টার মারা যান।
টিএইচ